বৃষ্টি মাখা রোদ্দুর

অশুচি রাতের নিশ্ছিদ্র প্রত্যাশায় দারুণ নির্জনতার পায়চারী, সন্ধ্যা তারার পাশে শূন্যচারী; অযাচিৎ মেঘে ঢাকা চাঁদের পাশে আর্তচিৎ...

বৃষ্টি মাখা রোদ্দুর











অশুচি রাতের নিশ্ছিদ্র প্রত্যাশায় দারুণ নির্জনতার পায়চারী,
সন্ধ্যা তারার পাশে শূন্যচারী;
অযাচিৎ মেঘে ঢাকা চাঁদের পাশে আর্তচিৎকার গগণবিদারী।

সব্যসাচীর নগ্ন উঠোনে সন্দিগ্ধ ভালবাসার জমজমাট আসর,
অনুগ্রহ বিগ্রহের দোসর;
বাঁশী বাজিয়ে সাথে অমাবস্যা আনে জোৎস্নালোকিত বহর।

শেষ রাতে আলো-আধারীর মায়ায় পথ করে চলে শিকারী পথিক,
নির্লিপ্ততায় শিকারে নির্ভীক;
একটি মাত্র ঝোলা ভরা শত মন; সেখানে বিরহের ভাবনা অলীক।

পাষণ্ড দ্যুলোকের আনাচে-কানাচে নিষ্প্রভ সহজ মানুষের অস্তিত্ব,
নষ্ট কতক বিবেকের দৌরাত্ম্য;
প্রতিপদে পার্থিব মৃত্যমানবের সাথে তারা হতে পারে না একাত্ম।

কালো হিংসার প্রচ্ছন্ন লালসার হাজারো শ্বদন্ত মাখা রক্তে,
ধন্য সভ্য পাশবিকতার বীরত্বে;
শ্বাপদের মমতায় জীবন গ্রহণে হঠাৎ বাধ পড়ে অনুরক্তে।

আশা ক্লান্ত নিরুৎসাহিত বোধে মরচে পড়া চাহনী,
ক্ষণিক স্বপ্ন রাঙায় মোহিনী;
বৃষ্টি হয়ে নামে রোদ্র মেখে উড়ে যাওয়া তটিনী।


রচনাকালঃ ডিসেম্বর, ২০০৭

0 মন্তব্য: