সূর্যাস্তের শেষ অশ্রুবিন্দু
নিশানাথের তরে বিসর্জন দিয়েছে তার সব বলা কথা।সন্ধ্যা হারিয়ে গেছে গোধূলির সৌন্দর্য্যে,
নীরবে লুকিয়েছে সর্বস্ব বিলীন হবার কঠিন ব্যথা।
হৃদয়ের খুব কাছে স্পর্শ পেয়ে
শিউরে উঠেছে নয়নাভিরাম একাকী জ্যোৎস্না।
মধ্যরাতের হাসনাহেনা,
তাই দিয়েই মিটিয়েছে বুকের যত তৃষ্ণা।
রাতের হাসিটুকু সরিয়ে
শুধু কালোটাকে নিয়েই ভাবে অলস অমাবস্যা।
অশরীরীর মত ঠায় দাড়িয়ে থাকা
ইউক্যালিপ্টাসকে ঘিরে বাড়ে জোনাকীদের তপস্ব্যা।
মাঝে মাঝে শুভ্র মেঘগুলো
মনে করিয়ে দেয় প্রকৃতিকে শরতের কথা।
বাতাসে মাটির ঘ্রাণ ছড়িয়ে
খুলে দেয় বৃষ্টির পুরনো সতত স্মৃতিগাঁথা।
বিদগ্ধ দুপুর উষ্ণ রূপে
উপহার দেয় বিরহে নিশ্ছিদ্র মোহ।
দিগ্বিদিক ছুটে ক্লান্ত মন
নিজেতে রুষ্ট হয়ে জানায় বিদ্রোহ।
অবিরত ক্রন্দনে খুশির জোয়ার,
সারাদিন উথলে পড়ে সুখের সমাধিতে।
প্রতি মুহুর্তে অর্ধমৃত জীবনটা
সাঁতরে চলে নিঃসীম কষ্টের জলধিতে।
নিষ্প্রভ ব্যস্ত প্রদ্বীপ
প্রচন্ড ঝড়ে দিয়ে যায় জ্বলে ওঠার মিথ্যে আশ্বাস।
নীতির মালা দিয়ে সাজানো
ব্যর্থ বিবেকটাকে নিয়ে হায়েনার সাথে বসবাস।
রচনাকালঃ জুলাই, ২০০৬


0 মন্তব্য: