লাল, সবুজ আর নীলের এই স্বপ্নগ্লানি টেনে চলা সংসারে,
মুঠো মুঠো করে মুহুর্মুহু ভর করে অথৈ বিষাদ।
শুভ নতুন ভোরে ফুলের পাপড়ি মেলে ধরাকে ব্যর্থ করে;
বিহঙ্গের ডানায় চেপে বসে কতক বিভৎস্য আর্তনাদ।
বিবেকের খোলসটা চিরে তরতাজা হৃদপিন্ডটা নিয়ে
ছুটে চলে ধারালো নখের ঐ শবশকুনগুলো।
অবিঃশ্বাসের সাদা-কালো আলোর শহরের প্রশ্বাসে আর,
গ্রীন হাউসের ছাতে ভীড় জমায় রক্তাক্ত ধূলো।
খোঁড়া পথিকের রিক্ত হাতে পায়ের একজোড়া স্যান্ডেল,
ছিঁড়ে গেছে বন্ধুর পথের পাষাণ কল্লোলে।
কারো মনের ঠুনকো দর্পণ বারবার ভেঙে হয়েছে চুরমার,
হাজারো সুপ্ত নীতির তীব্র কলরোলে।
জীবনের অপর নামের নগ্ন উপহাসে প্রাণের অসহায়ত্ব বেড়ে
লোকান্তরে চলে যাবার পথ সুগম করে দেয়।
শক্ত সমর্থের অবৈধ শক্তি একাকী নম্রকে জুলুম করে
শাশ্বত অধিকার অকপটে হরণ করে নেয়।
সুখের পোস্টারে ছিটেফোটা দাবীতে ঝাঁঝালো মিছিল উঠে
নিরীহ মানবতার শান্ত রাজপথ জুড়ে।
সততার উন্মুক্ত তরবারি বেশী দুর যেতে পারে না,
মিষ্টভাষী অসত্যের পাষাণ বক্ষ খুঁড়ে।
মেঘ কেটে রোদ হাসে; সে হাসির ঝলকানিতে যেন
সহিষ্ণু মনের তরে দুঃখ নেমে আসে।
সেই মনে দালান উঠে; রড-সিমেন্টের হাহাকারে
ভীতগুলো গড়ে ওঠে শত শত তাসে।
রচনাকালঃ ফেব্রুয়ারি, ২০০৬


0 মন্তব্য: