নিত্য হিসেবের ভৃত্য বনে
আপন আপন খেলা।
কি যতনে হায় সব ছেড়ে যায়
একলা যাবার বেলা।
ঘুড়ি-সুতোর বিত্ত-বিভব
মরচে হাসির কড়ি।
যাজক সেজে বেজেই চলে
অন্তঃপুরের ঘড়ি।
চোখের পানির বদৌলতে
হারানোর ব্যাথা ভোলা।
খুচরো স্মৃতির তল্পি গুটিয়ে
নতুন বিপণী খোলা।
কবে ভিজবে মাছরাঙাটা
শিমুল ফুটবে কবে?
ঘুম কাটিয়ে একটু দেখার
কখনো কি সাধ হবে?
দুধ-সাদা রঙ ছাতের নিচে
রৌদ্র পাড়ের বিছানা,
আকাশ রঙা শান্তিকুটির
বদলাবে রোজ ঠিকানা।
বেলা হবার তাড়া দিয়ে
ঘুম না ভাঙাবে কেউ।
অথৈ রাতে শরীর জুরে
বয়ে যাবে নীল ঢেউ।






